জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী আজ:
**জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী আজ:
জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে মুক্তিযুদ্ধের বীরকে**
আজ শুক্রবার, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের বীর জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে তিনি শাহাদতবরণ করেন।
স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বজ্রকণ্ঠে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, যা মুক্তিকামী বাঙালিকে দিয়েছিল অদম্য প্রেরণা। মুক্তিযুদ্ধে তিনি শুধু একজন সেক্টর কমান্ডারই ছিলেন না, বরং জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে তার নেতৃত্ব ছিল অনন্য। তার বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করে। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করে দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে।
আজ সকালে শেরেবাংলা নগরে তার মাজারে ফাতেহা পাঠ, রক্তদান কর্মসূচি ও পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে জাতি তাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে। তার জন্মস্থান বগুড়ার বাগবাড়ী গ্রামেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশেষ স্মরণসভা।
বিবিসি বাংলার জরিপে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালিদের তালিকায় জিয়াউর রহমানের নাম স্থান পাওয়া তার অসামান্য অবদানেরই স্বীকৃতি। তার আদর্শ, দেশপ্রেম ও সাহসী নেতৃত্ব চিরকাল বাংলাদেশের ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।
"জিয়াউর রহমান শুধু একজন নেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতীক ও জাতীয় ঐক্যের মূর্তপ্রতীক," বলেছেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। তার শাহাদতবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা দোয়া করি, আল্লাহ তাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন। তার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গঠনে আমরা যেন অবদান রাখতে পারি।

Comments
Post a Comment